সালমান শাহ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ফের পেছাল
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশঃ ২৩ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:০৯ এএম
সালমান শাহকে হত্যার অভিযোগে তার স্ত্রী সামিরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৯ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন ঢাকার একটি আদালত।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল না করায় বিচারক নতুন দিন ধার্য করেন।
গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার আসামিরা হলেন - সামিরা হক, শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুছি, খলনায়ক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু এবং রেজভি আহমেদ ফরহাদ (১৭)। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও অনেককে আসামি করা হয়েছে।
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহের মৃত্যুর পর রমনা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়। তবে গত বছর ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক বাদীপক্ষের করা রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। এর প্রেক্ষিতে ২১ অক্টোবর সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর রমনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ৬ সেপ্টেম্বর তার বোন নিলুফার জামান চৌধুরী, বোনের স্বামী কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরী এবং তাদের ছেলে শাহরান শাহ সালমানের সঙ্গে দেখা করতে যান। তারা ঘরে গিয়ে দেখেন, সালমান নিথর অবস্থায় শয়নকক্ষে, আর কয়েকজন বহিরাগত নারী তার হাতে-পায়ে তেল মালিশ করছেন। পাশের কক্ষে সামিরার আত্মীয় রুবি বসে ছিলেন। সালমানের মা তাকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য চিৎকার করেন।
পথে তারা গলায় দড়ির দাগ এবং নীলচে দাগ দেখতে পান। প্রথমে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল, পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক জানান,
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, সালমানের বাবা মৃত্যুর আগে ছেলের মৃত্যুকে হত্যা বলে সন্দেহ করে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দরখাস্ত দেন। এতে তিনি রমনা থানার অপমৃত্যু মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ এবং সিআইডির মাধ্যমে তদন্তের আবেদন করেন। সালমানের বাবার মৃত্যুর পর মামা মোহাম্মদ আলমগীর বোনের পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করছেন।
মামলায় বলা হয়েছে, অভিযুক্তদের কেউ মৃত্যুবরণ করলে প্রমাণ সাপেক্ষে তারা দায় থেকে অব্যাহতি পাবেন। এজাহারনামীয় ও অজ্ঞাতনামা পলাতক আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে সালমান শাহকে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল না করায় বিচারক নতুন দিন ধার্য করেন।
গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার আসামিরা হলেন - সামিরা হক, শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুছি, খলনায়ক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু এবং রেজভি আহমেদ ফরহাদ (১৭)। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও অনেককে আসামি করা হয়েছে।
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহের মৃত্যুর পর রমনা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়। তবে গত বছর ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক বাদীপক্ষের করা রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। এর প্রেক্ষিতে ২১ অক্টোবর সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর রমনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ৬ সেপ্টেম্বর তার বোন নিলুফার জামান চৌধুরী, বোনের স্বামী কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরী এবং তাদের ছেলে শাহরান শাহ সালমানের সঙ্গে দেখা করতে যান। তারা ঘরে গিয়ে দেখেন, সালমান নিথর অবস্থায় শয়নকক্ষে, আর কয়েকজন বহিরাগত নারী তার হাতে-পায়ে তেল মালিশ করছেন। পাশের কক্ষে সামিরার আত্মীয় রুবি বসে ছিলেন। সালমানের মা তাকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য চিৎকার করেন।
পথে তারা গলায় দড়ির দাগ এবং নীলচে দাগ দেখতে পান। প্রথমে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল, পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক জানান,
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, সালমানের বাবা মৃত্যুর আগে ছেলের মৃত্যুকে হত্যা বলে সন্দেহ করে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দরখাস্ত দেন। এতে তিনি রমনা থানার অপমৃত্যু মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ এবং সিআইডির মাধ্যমে তদন্তের আবেদন করেন। সালমানের বাবার মৃত্যুর পর মামা মোহাম্মদ আলমগীর বোনের পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করছেন।
মামলায় বলা হয়েছে, অভিযুক্তদের কেউ মৃত্যুবরণ করলে প্রমাণ সাপেক্ষে তারা দায় থেকে অব্যাহতি পাবেন। এজাহারনামীয় ও অজ্ঞাতনামা পলাতক আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে সালমান শাহকে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
‘ট্রাম্প ইরানের মুক্তিদাতা’
৪ ঘন্টা আগে
ক্যানসারে মারা গেলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী অ্যানাবেল স্কোফিল্ড
৩ দিন আগে
জীবনে সবসময় প্রেম থাকে: স্বস্তিকা
৪ দিন আগে
‘ইত্যাদি’তে থাকছেন অর্ধশতাধিক বিদেশি নাগরিক
৬ দিন আগে
স্ত্রীর আত্মহত্যা মামলার প্রধান আসামি স্বামী জাহের আলভী
১ সপ্তাহ আগে
আত্মহত্যার আগে যা লিখেছিলেন ইকরা !
১ সপ্তাহ আগে
স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান: রাষ্ট্রপতি
৪ ঘন্টা আগে
তৃতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতল ভারত
৪ ঘন্টা আগে
‘ট্রাম্প ইরানের মুক্তিদাতা’
৪ ঘন্টা আগে
১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন
৪ ঘন্টা আগে
সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাংলাদেশিসহ নিহত ২
৪ ঘন্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নিয়োগ পাওয়া চার রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার
৪ ঘন্টা আগে
হাদি হত্যার প্রধান আসামি ও সহকারী গ্রেফতার
৪ ঘন্টা আগে
জ্বালানি সাশ্রয়: দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের সিদ্ধান্ত
৪ ঘন্টা আগে