দের উৎসবে মনে রাখতে হবে-দামি আসবাব নয়, বরং আপনার রুচিশীল সাজই ঘরকে করে তুলতে পারে আকর্ষণীয় ও আরামদায়ক।
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা রাখা
ঈদে ঘর সাজাতে হলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরিয়ে ঘরকে হালকা ও গোছানো করে তুলুন। জানালা, পর্দা, কার্পেট, সোফা কিংবা ডাইনিং টেবিলসহ সবকিছু ভালোভাবে পরিষ্কার করলে ঘরের পরিবেশ স্বাভাবিকভাবেই সতেজ হয়ে ওঠে। অনেকেই এই সময় পুরোনো পর্দা বা কুশন কভার বদলে নতুন কিছু ব্যবহার করেন, যা ঘরের সাজে এনে দেয় নতুনত্ব।
আলোর ব্যবহারে উৎসবের আমেজ
ঈদে ঘরের সাজে আলোর ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। সাধারণ আলোর পরিবর্তে ড্রয়িংরুমে ডেকোরেটিভ লণ্ঠন ব্যবহার করলে ঘরে এক ধরনের রাজকীয় আভিজাত্য ফুটে ওঠে। জানালা বা বারান্দায় ট্রেন্ডি ‘স্টার অ্যান্ড মুন’ এলইডি স্ট্রিপ লাইট লাগাতে পারেন। দেয়ালে ওয়ার্ম হোয়াইট টুনি লাইট ব্যবহার করলে ঘর আরও স্নিগ্ধ ও উৎসবমুখর দেখাবে।
বিছানার চাদরে নতুনত্ব
ঘরে ঢুকলেই প্রথমে চোখ যায় বিছানার দিকে। তাই চাদরটি হওয়া উচিত ঘরের রঙের সঙ্গে মানানসই। হালকা রঙের চাদর মনকে প্রশান্ত করে। আর যারা একটু আভিজাত্য চান, তারা ব্লক বা হাতের কাজের চাদর বেছে নিতে পারেন। এতে ঘরে আলাদা এক সৌন্দর্য ফুটে ওঠে।
বাহারি পর্দায় বদলে দিন ঘরের লুক
জানালার পর্দা ঘরের বড় একটি অংশ জুড়ে থাকে। তাই পর্দা বদলালে পুরো ঘরের চেহারাই বদলে যায়। বিছানার চাদরের সঙ্গে মিলিয়ে পর্দা নির্বাচন করলে ঘরের সাজ আরও পরিপূর্ণ লাগে। বাজেট কম হলে অন্তত বসার ঘরের পর্দা বদলালেও নতুনত্ব আসবে।
খাবার টেবিলে রাজকীয় সজ্জা
ঈদ মানেই হরেক রকম সুস্বাদু খাবার। তাই ডাইনিং টেবিলটাও হওয়া চাই আকর্ষণীয়। সাদা টেবিলক্লথের ওপর রঙিন রানার ব্যবহার করলে দেখতে দারুণ লাগে। টেবিলের মাঝখানে একটি শৌখিন পাত্রে তাজা ফুল রাখুন, চারপাশে কয়েকটি সুগন্ধি মোমবাতি জ্বালালে পরিবেশটাই পাল্টে যাবে।প্লেট, বাটি ও গ্লাসগুলো পরিপাটি করে সাজিয়ে রাখলে পুরো ডাইনিং স্পেস আরও সুন্দর ও গোছানো দেখাবে।
ফুল ও প্রাকৃতিক উপাদানে সতেজতা
প্রাকৃতিক উপাদান ঘরের সৌন্দর্য বাড়াতে দারুণ কাজ করে। টেবিলে তাজা ফুল রাখুন, দরজার পাশে ইনডোর প্ল্যান্ট রাখুন। মানিপ্ল্যান্ট, স্নেক প্ল্যান্ট বা ছোট টবের সবুজ গাছ ঘরে এনে দেয় সতেজ ও প্রাকৃতিক অনুভূতি। সুগন্ধি ফুল ব্যবহার করলে পরিবেশ আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে, গালফ নিউজ
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা রাখা
ঈদে ঘর সাজাতে হলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরিয়ে ঘরকে হালকা ও গোছানো করে তুলুন। জানালা, পর্দা, কার্পেট, সোফা কিংবা ডাইনিং টেবিলসহ সবকিছু ভালোভাবে পরিষ্কার করলে ঘরের পরিবেশ স্বাভাবিকভাবেই সতেজ হয়ে ওঠে। অনেকেই এই সময় পুরোনো পর্দা বা কুশন কভার বদলে নতুন কিছু ব্যবহার করেন, যা ঘরের সাজে এনে দেয় নতুনত্ব।
আলোর ব্যবহারে উৎসবের আমেজ
ঈদে ঘরের সাজে আলোর ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। সাধারণ আলোর পরিবর্তে ড্রয়িংরুমে ডেকোরেটিভ লণ্ঠন ব্যবহার করলে ঘরে এক ধরনের রাজকীয় আভিজাত্য ফুটে ওঠে। জানালা বা বারান্দায় ট্রেন্ডি ‘স্টার অ্যান্ড মুন’ এলইডি স্ট্রিপ লাইট লাগাতে পারেন। দেয়ালে ওয়ার্ম হোয়াইট টুনি লাইট ব্যবহার করলে ঘর আরও স্নিগ্ধ ও উৎসবমুখর দেখাবে।
বিছানার চাদরে নতুনত্ব
ঘরে ঢুকলেই প্রথমে চোখ যায় বিছানার দিকে। তাই চাদরটি হওয়া উচিত ঘরের রঙের সঙ্গে মানানসই। হালকা রঙের চাদর মনকে প্রশান্ত করে। আর যারা একটু আভিজাত্য চান, তারা ব্লক বা হাতের কাজের চাদর বেছে নিতে পারেন। এতে ঘরে আলাদা এক সৌন্দর্য ফুটে ওঠে।
বাহারি পর্দায় বদলে দিন ঘরের লুক
জানালার পর্দা ঘরের বড় একটি অংশ জুড়ে থাকে। তাই পর্দা বদলালে পুরো ঘরের চেহারাই বদলে যায়। বিছানার চাদরের সঙ্গে মিলিয়ে পর্দা নির্বাচন করলে ঘরের সাজ আরও পরিপূর্ণ লাগে। বাজেট কম হলে অন্তত বসার ঘরের পর্দা বদলালেও নতুনত্ব আসবে।
খাবার টেবিলে রাজকীয় সজ্জা
ঈদ মানেই হরেক রকম সুস্বাদু খাবার। তাই ডাইনিং টেবিলটাও হওয়া চাই আকর্ষণীয়। সাদা টেবিলক্লথের ওপর রঙিন রানার ব্যবহার করলে দেখতে দারুণ লাগে। টেবিলের মাঝখানে একটি শৌখিন পাত্রে তাজা ফুল রাখুন, চারপাশে কয়েকটি সুগন্ধি মোমবাতি জ্বালালে পরিবেশটাই পাল্টে যাবে।প্লেট, বাটি ও গ্লাসগুলো পরিপাটি করে সাজিয়ে রাখলে পুরো ডাইনিং স্পেস আরও সুন্দর ও গোছানো দেখাবে।
ফুল ও প্রাকৃতিক উপাদানে সতেজতা
প্রাকৃতিক উপাদান ঘরের সৌন্দর্য বাড়াতে দারুণ কাজ করে। টেবিলে তাজা ফুল রাখুন, দরজার পাশে ইনডোর প্ল্যান্ট রাখুন। মানিপ্ল্যান্ট, স্নেক প্ল্যান্ট বা ছোট টবের সবুজ গাছ ঘরে এনে দেয় সতেজ ও প্রাকৃতিক অনুভূতি। সুগন্ধি ফুল ব্যবহার করলে পরিবেশ আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে, গালফ নিউজ