মির্জা আব্বাসকে লাঞ্ছনার বিচার না হলে বিএনপির পতন অনিবার্য বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও কলামিস্ট গোলাম মাওলা রনি। তিনি বলেন, এক মির্জা আব্বাসের মাধ্যমে বিএনপিকে হেয় করা হচ্ছে। এক মির্জা আব্বাসের মাধ্যমে পুরো বিএনপির রাজনীতিকে ধ্বংস করা হচ্ছে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) নিজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত এক ভিডিওতে এসব কথা বলেন তিনি।
গোলাম মাওলা রনি বলেন, বিএনপির অন্যতম শীর্ষ নেতা মির্জা আব্বাসকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে, বিশেষ করে জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের পর একটি বিশেষ শ্রেণি আলাদা একটি ন্যারেটিভ তৈরি করার চেষ্টা করছে। একটি মানুষকে জীবন্ত কবর দেওয়ার জন্য, একটি জীবন্ত মানুষকে পচিয়ে ফেলার জন্য একটি সুস্থ এবং সবল মানুষের সারা শরীরে কুষ্ঠ ব্যাধি দ্বারা তাকে আক্রান্ত করার জন্য যে ধরনের প্রপাগান্ডা দরকার, খুব ম্যাটিকুলাসলি সেই কাজগুলো এই ভদ্রলোককে করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, মির্জা আব্বাসের ছেলের বয়সের চাইতে অনেক ছোট নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী উঠতে-বসতে তার লোকজন সহকারে তাকে যেভাবে অপমান করছেন, যেভাবে গালাগাল করছেন, এটা কোনো অবস্থাতেই ভদ্র সমাজের শোভনীয় নয়, কোনো রাষ্ট্রীয় কালচারে এটি ধারণ করা হয় না।
যে দেশে বিচার ব্যবস্থা আছে, যে দেশে সভ্য সমাজের সামাজিকতা আছে, যে দেশে মানুষের বিবেক আছে, বোধ আছে- সেখানে একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদকে প্রকাশ্যে উঠতে-বসতে, অহরহ- যেভাবে মির্জা আব্বাসকে পচানো হচ্ছে, এটা সমর্থনযোগ্য নয়।
এ কলামিস্ট বলেন, এটির সামাজিক প্রতিরোধ দরকার। এটির রাষ্ট্রীয় প্রতিরোধ নয়, রাষ্ট্রীয় বিচার দরকার। এই ধরনের ঘটনা আমাদের সমাজে যেন পুনরায় না ঘটে, এই ব্যাপারে সবার সচেতন হওয়া দরকার।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) নিজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত এক ভিডিওতে এসব কথা বলেন তিনি।
গোলাম মাওলা রনি বলেন, বিএনপির অন্যতম শীর্ষ নেতা মির্জা আব্বাসকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে, বিশেষ করে জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের পর একটি বিশেষ শ্রেণি আলাদা একটি ন্যারেটিভ তৈরি করার চেষ্টা করছে। একটি মানুষকে জীবন্ত কবর দেওয়ার জন্য, একটি জীবন্ত মানুষকে পচিয়ে ফেলার জন্য একটি সুস্থ এবং সবল মানুষের সারা শরীরে কুষ্ঠ ব্যাধি দ্বারা তাকে আক্রান্ত করার জন্য যে ধরনের প্রপাগান্ডা দরকার, খুব ম্যাটিকুলাসলি সেই কাজগুলো এই ভদ্রলোককে করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, মির্জা আব্বাসের ছেলের বয়সের চাইতে অনেক ছোট নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী উঠতে-বসতে তার লোকজন সহকারে তাকে যেভাবে অপমান করছেন, যেভাবে গালাগাল করছেন, এটা কোনো অবস্থাতেই ভদ্র সমাজের শোভনীয় নয়, কোনো রাষ্ট্রীয় কালচারে এটি ধারণ করা হয় না।
যে দেশে বিচার ব্যবস্থা আছে, যে দেশে সভ্য সমাজের সামাজিকতা আছে, যে দেশে মানুষের বিবেক আছে, বোধ আছে- সেখানে একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদকে প্রকাশ্যে উঠতে-বসতে, অহরহ- যেভাবে মির্জা আব্বাসকে পচানো হচ্ছে, এটা সমর্থনযোগ্য নয়।
এ কলামিস্ট বলেন, এটির সামাজিক প্রতিরোধ দরকার। এটির রাষ্ট্রীয় প্রতিরোধ নয়, রাষ্ট্রীয় বিচার দরকার। এই ধরনের ঘটনা আমাদের সমাজে যেন পুনরায় না ঘটে, এই ব্যাপারে সবার সচেতন হওয়া দরকার।